১. আপনি হয়ত চাইবেন আপনার সঙ্গী আপনার মতো করে ভালোবাসবে। স্বামী বা স্ত্রী দুই জনের ভালোবাসা দুই রকম হতেই পারে। কারণ দুই জন ভিন্ন মানুষ।
২. বিয়ের পর আপনার বন্ধু, পরিবার সব একটি প্রাত্রে নিয়ে গুলিয়ে ফেললেন।এটা উচিত নয়। আবার বন্ধু বা বাইরের মানুষদের বেশি গুরুত্ব দিবেন, এটাও ঠিক নয়। একটা ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে।
৩. বিয়ের পরে স্বামী-স্ত্রী দুই জনে মিলে ঘর সামলানো উচিত। স্বামী যদি মনে করে এটা আমার কাজ নয় এটা মেয়েদের কাজ সেটা ভুল। দুই জনের প্রচেষ্টায় সুন্দর সংসার গড়ে ওঠে।
৪. টাকা খরচ করা যত সহজ উর্পাজন করা তত কঠিন। কত টাকা আপনি খরচ করতে পারছেন এর ওপর যদি সম্পর্ক নির্ভর করে তবে সেটা ভুল। কিছু কিনতে পারছেন না। অন্যজন দামি দামি জিনিস কিনছে। আমার কপাল খারাপ অনেক চিন্তা। এগুলো মাথায় আসলে বিবাহিত জীবন এগিয়ে নিতে কষ্ট হবে। যার যেমন উপার্যন সেটাতেই সন্তুষ্ট থাকা উচিত।
৫. স্বামী-স্ত্রী দুই জনই চাকরি করেন। তবুও মনে আশা করে আছেন স্ত্রীই সংসারের সব সামলাবে, সন্তান সামলাবে। এই আশাটা না করাই ভালো। কারণ দুই জনই চাকরি করেন, এটা মাথায় রাখা দরকার।
৬. কোন কিছুর সাথেই আপোস করবো না! এই মনোভাব আপনার বিবাহিত জীবন ক্ষতিগ্রস্থ করতে পারে। ধরেন এমন হলো, একটি বিষয়ে আপনাদের ভিন্ন মত। সেক্ষেত্রে যেকোন একজনকে আপোস করতে হবে। দুই জনই আশা করে বসে থাকলেন অন্য জন আপেস করবে সেটা হলে হবে না।
এই তো কয়েক দশক আগেও ঘরের পর্দা যেন বাড়ির সুরক্ষা আর ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষার জন্য ব্যবহৃত হত। সেই চিরয়াত ভাবনার গণ্ডি পেরিয়ে পর্দা এখন বইয়ের মোড়ক যেন। কথায় বলে বইয়ের মান প্রচ্ছদ দেখে অনুমান করা ঠিক না, কিন্তু ঘরের পর্দা দেখে ঘরের মানুষের মননের রঙ ঠিকই বোঝা যায়। পর্দা যেকোন বাড়ির বেশ গুরুত্বপূর্ণ অনুসঙ্গ।
ব্যক্তিত্ব ও রুচির পরিচয়কে প্রকাশ করে প্রয়োজনীয় এ অনুসঙ্গ। শুধু তাই নয় পর্দা মানসিক ও শারীরিক সুস্থতায়ও বেশ অবদান রাখে। সঠিক পর্দা আর পর্দার রং-ধরন নির্বাচন করা সহজ কাজ নয়। কিন্তু কেমন হওয়া উচিৎ ঘরের পর্দা তা নিয়ে অনেকেই দ্বিধায় থাকেন, এ বিষয়ে স্থপতি ফওজিয়া জাহান পরামর্শ দিয়েছেন, তিনি জানিয়েছেন ঘরের পর্দা কেমন হওয়া উচিৎ-
ঘরের জন্য পর্দা নির্বাচনের সময়,খেয়াল রাখতে হবে বেশ কিছু বিষয়।
মনে রাখতে হবে পর্দার মান খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ভাল মানের কাপড় ঘরের পরিবেশের মান উন্নত করতে সাহায্য করে। কাপড়ের মান বুঝে পর্দা পরিষ্কার করার সুবিধা-অসুবিধা নির্ভর করে। তাই খেয়াল রাখতে হবে পর্দার কাপড়টি যেন খুব সহজে ধুলাবালি শোষণ না করে। সেই সঙ্গে অবশ্যই চলতি সময়ে পর্দার স্টাইল, ডিজাইন মাথায় রাখতে হবে।
বিবাহিত জীবন আনন্দের হওয়া জরুরি। মানুষ সুখে থাকার আশায়ই বিয়ের মতো বন্ধনে জড়ায়। কিন্তু কখনো কখনো বিবাহিত জীবন একঘেয়ে হয়ে ওঠে। এখানে একপাক্ষিকভাবে কাউকে দোষারোপ করে লাভ নেই। কারণ দু’জনের ছোট ছোট ভুল কিংবা অবহেলায় এক সময় বাড়ে দূরত্ব, সম্পর্কে চলে আসে একঘেয়েমি।
একইভাবে দিন কাটাতে থাকলে একটা সময় বিরক্তির জন্ম নেবে। তাই সম্পর্ক যতই পুরনো হোক, তাতে নতুনত্ব রাখতে হবে। দু’জন দু’জনকে মুগ্ধ করার মতো প্রচেষ্টা থাকতে হবে। নয়তো একটা সময় একঘেয়েমি এসে ভর করবে। তাই এ ধরনের পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে প্রচেষ্টা চালাতে হবে দু’জনকেই। কিছু কাজ বিবাহিত জীবনে একঘেয়েমি নিয়ে আসে। সেগুলো বাদ দিতে হবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক সেগুলো কী-
সময় না দেওয়া
বর্তমান বেশিরভাগ দম্পতিই চাকুরিজীবী। যে কারণে ঘরের বাইরেই দুজনের অনেকটা সময় কেটে যায়। দিনশেষে পরস্পরকে সময় দেওয়ার মতো সময় আর তাদের থাকে না। এর প্রভাব পরে সম্পর্কে। একটা সময় তৈরি হয় দূরত্বের। প্রতিদিন একই রুটিন, একই অভ্যাসের কারণে সম্পর্কে চলে আসে একঘেয়েমি। তাই যত ব্যস্ততাই থাকুক, পরস্পরকে সময় দিন।
ভালোবাসার প্রকাশ না করা
বেশিরভাগ বিবাহিত জুটিই এই কাজ করেন। একটা সময় ভালোবাসার কথা মুখে প্রকাশ করার কথা ভুলে যান। মনে যতই ভালোবাসা থাকুক, মুখে অবশ্যই জানাতে হবে। কারণ মানুষ কখনো আরেকজনের মন পড়তে পারে না। তাই মনের কথা মুখেও জানান। আপনার স্বামী বা স্ত্রীকে ভালোবাসার কথা জানান। আপনার মুখের দু’টি সুন্দর কথা তার দিনটিও সুন্দর করে দিতে পারে। কেটে যেতে পারে একঘেয়েমির মেঘ।
হাসিখুশি না থাকা
জীবন থেকে হাসি-আনন্দ মুছে ফেলে অনেকে মুখটা ভার করে রাখেন। সবকিছুতেই তারা নেতিবাচকতা খুঁজে বেড়ান। নিজের জীবন নিয়েও থাকেন না সন্তুষ্ট। একই রুটিনে চলতে থাকে নিরানন্দ জীবন। এই গড়পড়তা জীবন কি কখনো ভালোলাগার বিষয়? তাই আনন্দ খুঁজে নিতে শিখুন। ছোট ছোট বিষয়ে খুশি থাকুন। জীবনের ইতিবাচক দিকগুলো খুঁজে বের করুন। এতে ভালো থাকবেন আপনারাই।
ঘনিষ্ঠতা না থাকা
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঘনিষ্ঠতা থাকা জরুরি। বিয়ের কয়েক বছর পার হলেই হারাতে শুরু করে শারীরিক আকর্ষণ। এর ফলে খুব স্বাভাবিকভাবেই চলে আসে দূরত্ব। তাই পরস্পরের কাছাকাছি থাকুন। এতে সম্পর্কে উষ্ণতা বজায় থাকবে। দু’জন দু’জনের প্রতি আকর্ষণ ধরে রাখতে নিজেকে ফিট রাখুন। এতে ঘনিষ্ঠতা থাকবে এবং একঘেয়েমি দূর হবে।
আমাদের প্যাকেজ এর লিংক: moonmarriagemedia.com/packages
ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: www. moonmarriagemedia.com