নিজেকে ভাগ্যবতী মনে করা
প্রশংসা শুনতে প্রত্যেকেই পছন্দ করেন। আর তা যদি হয় সঙ্গীর মুখ থেকে, তাহলে তো কথাই নেই! প্রত্যেক স্বামীই তার স্ত্রীর মুখ থেকে প্রশংসা শোনার জন্য মুখিয়ে থাকেন। তাই তাকে এমন কিছু বলুন যেন তার আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়। তাকে বলুন যে তাকে পেয়ে আপনি নিজেকে ভাগ্যবতী মনে করছেন। এতে তিনি আরও বেশি আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠবেন।
তার ব্যবহারে খুশি থাকা
আপনি তাকে কেমন ভাবেন, তা জানার আগ্রহ তার থাকবেই। তার সঙ্গে সারা জীবনের জন্য একটি সম্পর্কে জড়িয়েছেন, দিনযাপনের গল্পগুলো তাকে ঘিরে জমা হচ্ছে, তাই তার ব্যবহারে যে আপনি খুশি আছেন সেকথা জানিয়ে দিন। এতে তিনি আপনার প্রতি আরও ইতিবাচক থাকবেন। আরও বেশি সুন্দর ব্যবহার করবেন।
তার পরিশ্রমের প্রশংসা
সংসারে স্বামী-স্ত্রী দুজনেরই অবদান থাকে। তাদের কঠোর পরিশ্রম সংসারকে আরও সমৃদ্ধ করে। আপনার স্বামীর কাজের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হোন। তার কাজের প্রশংসা করুন। তাকে কর্মঠ এবং পরিশ্রমী বলুন। তার কাজ দেখে যে অন্যরা উৎসাহী হবে, সেকথাও বলুন। আপনার সমস্ত প্রশংসা-বাক্য তাকে খুশি রাখবে। সহজেই তার মন জয় করতে পারবেন।
ভালো ছেলে এবং ভালো স্বামী
তিনি যে ছেলে হিসেবে দায়িত্বশীল, তার বাবা-মাকে তিনি অনেক ভালোবাসেন, তাদের খেয়াল রাখেন সেকথা তাকে বলুন। সেইসঙ্গে একথাও তাকে বলুন যে তিনি স্বামী হিসেবেও দারুণ। এসব প্রশংসা-বাক্য তার জন্য মন্ত্রের মতো কাজ করবে। দেখবেন, তিনি আরও বেশি দায়িত্বশীল হয়ে উঠেছেন।
স্বার্থপরতা মানব স্বভাবের একটি অংশ। খেয়াল করে দেখলে বোঝা যাবে আমরা প্রায় সবাই জীবনে কখনো না কখনো স্বার্থপরের মতো আচরণ করি। তবে কিছু মানুষ রয়েছে যারা সব সময়ই এ ধরনের আচরণ করে থাকে। তাদের সঙ্গে মানিয়ে চলা মুশকিল। আর সেই মানুষ যদি হয় আপনার জীবনসঙ্গী, তাহলে তো মুশকিল। তখন সুস্থ দাম্পত্য সম্পর্ক বজায় রাখাই কষ্টকর হয়ে যায়। এমন সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য আপনাকে কিছু উপায় মেনে চলতে হবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক-
১. সরাসরি কথা বলুন
আপনার সঙ্গীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলুন। রেগে যাবেন না বা উত্তেজিত হবেন না। তার সঙ্গে শান্তভাবে কথা বলুন। অনেক সময় সামনাসামনি কথা বললে অনেক সমস্যার সহজ সমাধান হয়ে যায়। তাকে দোষারোপ না করে আপনার অনুভূতি এবং উদ্বেগ প্রকাশ করুন। তার আচরণ আপনাকে কীভাবে প্রভাবিত করে তা বোঝাতে চেষ্টা করুন।
আপনার সঙ্গীর মুখোমুখি হওয়ার আগে, আপনার নিজের আচরণ এবং প্রত্যাশাগুলো ভেবে দেখার জন্য কিছু সময় নিন। এমন কিছু ক্ষেত্র থাকতে পারে যেখানে আপনি হয়তো আরও বেশি স্বার্থপরতা দেখিয়েছেন। সম্পর্কের গতিশীলতায় আপনার নিজের অবদান বুঝতে চেষ্টা করুন।
স্বামী-স্ত্রী হলেও একে অন্যের সব সীমা লঙ্ঘন করা উচিত নয়। সবারই কিছু পার্সোনাল স্পেস থাকা উচিত। তাই সম্পর্কে মধ্যে কিছু বিষয়ে বাউন্ডারি রাখুন। সম্পর্কের শুরুতেই বিষয়গুলো নিয়ে স্পষ্ট কথা বলুন। এতে পরবর্তীতে আর ঝামেলা হবে না। সম্পর্কের ক্ষেত্রে আপনার কী প্রয়োজন এবং কোথায় আপনি আপস করতে রাজি নন তা নিয়ে আলোচনা করুন। সম্পর্কের এই বাউন্ডারি যেন যুক্তিসঙ্গত এবং ন্যায্য হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন। এটি স্বার্থপর আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করবে।
যদি আপনার সঙ্গী স্বার্থপরতা আপনাদের দাম্পত্য জীবনে বড় ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করে, তাহলে একজন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে পারেন। একজন প্রশিক্ষিত থেরাপিস্ট আপনার উদ্বেগের সমাধানের জন্য কাজ করবেন। তিনি উভয়ের জন্য একটি নিরপেক্ষ এবং সহায়ক সমাধান দিতে পারবেন। আপনার এবং সম্পর্কের ওপর তার স্বার্থপর আচরণের প্রভাব সঙ্গীকে জানান। এটি তাকে আপনার প্রতি সহানুভূতিশীল করে তুলতে পারে। হয়তো সে না বুঝেই এমন স্বার্থপর আচরণ করে থাকে। তার আচরণে কোথায় ভুল, কীসে আপনি কষ্ট পাচ্ছেন তা বুঝিয়ে বলুন। আপনার দৃষ্টিকোণ থেকে জিনিসগুলো দেখতে কেমন তা তাকে জানান। সুন্দরভাবে বুঝিয়ে বললে হয়তো সে আর স্বার্থপরতা নাও দেখাতে পারে।
আমাদের প্যাকেজ এর লিংক: moonmarriagemedia.com/packages
ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: www. moonmarriagemedia.com