আসলে কেউ সহজেই বিশ্বাসযোগ্য হয়ে ওঠেন না। বরং বিশ্বাস অর্জন করে নিতে হয়। এইক্ষেত্রে বিশ্বাস অর্জন করার জন্য একটু বেশিই পরিশ্রম করতে হয়। তাই আপনার সঙ্গীর সামনে একদমই শান্ত থাকুন। তাঁর প্রতি কিছু কিছু ক্ষেত্রে নির্ভরশীল হতে পারেন। সৎ থাকুন। ছোট ছোট বিষয়েও খেয়াল রাখুন। যেমন, যে সময়ে আপনি পৌঁছোবেন বলেছেন, সেই সময় ধরেই চলুন।
আবার কোনও সময়ে ফোন করবেন সেই সময়ে অবশ্যই ফোন করুন। বিশ্বাসী হয়ে ওঠা কোনও বড় ব্যাপার নয়। চাইলেই তা পারা যায়। আপনি তাঁকে সেটা বুঝিয়ে দিন। তাঁর ভরসা রাখুন। যেন আপনিই তাঁর ভরসার মানুষ হয়ে উঠতে পারেন। সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। দেখবেন ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে। আপনার স্ত্রী যদি কথায় কথায় আপনাকে সন্দেহ করেন, তাহলে আপনার মন খারাপ হওয়া স্বাভাবিক। এবং এক সময় গিয়ে ধৈর্য্যচ্যুতিও ঘটতে পারে। পরিস্থিতি হাতের বাইরেও বেরিয়ে যেতে পারে আপনার। রেগে গিয়ে দু চার কথা শুনিয়ে দিলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। তাই একটু ধৈর্য্য ধরুন। আপনার ধৈর্য্যের সীমা বাড়ানোর চেষ্টা করুন। যেন কোনওভাবেই আপনি ধৈর্য্য হারিয়ে না ফেলেন।
একজন মানুষ জীবনের প্রথম দিন থেকেই সন্দেহবাতিক থাকেন না। বরং পরিস্থিতি তাঁকে সেরকম করে তোলে। তাই আপনার স্ত্রী যদি আপনাকে অবিশ্বাস করেন বা সন্দেহ করেন, হয়তো তার পিছনে এরকমই কোনও অতীত আছে। সেটা বোঝার বা জানার চেষ্টা করুন।
আপনিই হয়তো কখনও তাঁর খুব খারাপভাবে বিশ্বাস নষ্ট করেছিলেন, সেটার একটা প্রভাব তাঁর মনে পড়েছিল। সেই নিয়ে তাঁর মনে একটা ভয় তৈরি হয়ে গিয়েছে। তাই তাঁকে ভালোবাসায় ভরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করুন। এতটাই ভালোবাসা দিন, যত্ন করুন। তিনি যেন, সেটা অনুভব করেন। ধীরে ধীরে পরিস্থিতি ঠিক হতে পারে। আপনি হয়তো কিছুই করেননি, কিন্তু আপনার স্ত্রী আপনাকে সন্দেহ করেই যাচ্ছেন। অকারণে আপনার কোনও বন্ধুকে নিয়ে সন্দেহ করছেন। বা টাকা পয়সা নিয়ে সন্দেহ করছেন। আপনি বারবার বোঝালেও তিনি আপনার কথা বুঝতে চাইছেন না।