Successful Blog

যে ১০ টি উপায়ে আপনি স্বামীকে খুশি রাখতে পারেন

একজন স্বামী সে কিন্তু সারাদিন কাজ কর্ম করে বাসায় এসে যে জিনিসটা চায় সেটা হলো মানসিক শান্তি। অন্য আরও অনেক ব্যাপার আছে তবে আমার মতে এটা সবার আগে। সুতরাং স্বামীকে মানসিক শান্তি দেবার চেষ্টা করবেন। স্বামীকে অবশ্যই ভালবাসতে হবে। আবার তার জন্য অপেক্ষাও করা উচিত। কখন সে আসবে কখন তার দরজা খুলে দেবেন।  সে যখন খেতে বসবে তখন কারেন্ট না থাকলে একটা কিছু দিয়ে বাতাস করে দিয়েন যাতে আরামে সে ভাতটা খেতে পারে। সাথে সাথে জল লাগবে কিনা, নুন লাগবে কিনা,পাটশাক ভাজার সঙ্গে আরোও একটা তেলে ভাজা শুকনো মরিচ লাগবে কিনা সেটাও একটু খেয়াল রেখেন। গেঞ্জি রুমাল তো সে নিজেই ধুতে পারে। মাঝেমাঝে তাকে একটু বিরক্ত করবেন। হুট করে জরিয়ে ধরে বলবেন ভালোবাসি ভালোবাসি। রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময় ছোট বাচ্চাদের মত তার হাট ধরে হাঁটবেন। হাটতে হাটতে অনেক সুন্দরীকে দেখে যদি আপনার হিংসে হয় তবে পথেই জিজ্ঞেস করে বসবেন ভালোবাসো? দেখবেন সে ভীষণ খুশি হবে। রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময় ছোট বাচ্চাদের মত তার হাট ধরে হাঁটবেন। হাটতে হাটতে অনেক সুন্দরীকে দেখে যদি আপনার হিংসে হয় তবে পথেই জিজ্ঞেস করে বসবেন ভালোবাসো? দেখবেন সে ভীষণ খুশি হবে। আরও অনেক কথাই চাইলে লেখা যায়। আর না হয় নাই লিখলাম। তবে আপনাকে ভালো রাখার জন্য যে এত পরিশ্রম করে তাকে ভালো রাখাও আপনার কর্তব্য। মতের অমিল, ভুল–বোঝাবুঝি, অসহিষ্ণুতা, রুক্ষ মেজাজ, আমিত্বের মতো নানা কারণে সুন্দর দাম্পত্য জীবনে ঘটতে পারে ছন্দপতন। দুজন মানুষ একসঙ্গে থাকলে ঝগড়া হবে, তাই বলে ভালোবাসার চর্চা বন্ধ করা যাবে না। রাগের বশে জীবন এলোমেলো করে ফেলারও কোনো মানে হয় না। যৌবন থেকে জীবনের গোধূলি পর্যন্ত জীবনসঙ্গীর সঙ্গে হাসি–আনন্দে পথ চলতে চাইলে কিছু বিষয় সচেতনভাবে এড়িয়ে যেতে হয়, আবার কিছু বিষয়ের চর্চাও করতে হয়। ইউনিভার্সিটি অব ডেনভারের সেন্টার ফর ম্যারিটাল অ্যান্ড ফ্যামিলি স্টাডিজের সহপরিচালক হাওয়ার্ড মার্কম্যান বলেন, ‘দাম্পত্যে উভয় পক্ষের মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব বজায় রাখাটা ভীষণ জরুরি। হাস্যরস, আনন্দ ভাগাভাগি ও সাংসারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা স্বামী–স্ত্রীর মধ্যকার সম্পর্ককে আরও দৃঢ় ও মজবুত করে।
১. প্রত্যেক মানুষেই একান্ত বন্ধুর সঙ্গ কামনা করে। তাই বাড়িতে স্বামীর বন্ধুবান্ধব এলে বা তাদের সঙ্গে যতো সময়েই কাটান না কেন কখনও অভিযোগ করবেন না। বরং স্বামীর বন্ধু ও তাদের পরিবারকে আপন করে নিন। বন্ধুত্ব করে ফেলুন স্বামীর বন্ধুদের স্ত্রীদের সঙ্গে।

২. সবসময় ইতিবাচক থাকার চেষ্টা করুন। হাসিখুশি থাকুন। কাজের পর বাড়ি ফিরে আপনার হাসি মুখ দেখে স্বামীরও ভালো লাগবে। তবে না সংসার সুখে-শান্তিতে থাকবে।

৩. স্বামীর শখকে নিজের শখ করে নিন। সেটা যাই হোক না কেন। এতে করে আপনার প্রতি স্বামীর ভালোবাসা অনেক বেড়ে যাবে।

৪. আপনি সব ধরনের রান্না না পারলেও ছুটির দিনে এমন কিছু রান্না করুন যাতে করে আপনার স্বামী অবাক হয়ে যায়। কারণ বউয়ের রান্নার প্রশংসা করেন না এমন স্বামী খুব কমই আছেন।

৫. স্বামী কোনও ধরনের ভুল সিদ্ধান্ত নিলে তাকে বোঝানোর চেষ্টা করুন। তবে তার মতামতকে গুরুত্ব দিন। গুরুতর কোনও বিষয় না হলে স্বামীর মতামতের বিরোধিতা করবেন না।

৬. মাঝরাত্তিরে স্বামীর ফোনে কল এলেও কিছু জিজ্ঞাসা করবেন না। যতক্ষণ না তিনি নিজে কিছু বলছেন। স্বামী লুকিয়ে প্রেম করলেও চেঁচামেচি করে কোনও লাভ নেই। মাঝখান থেকে নিজের আত্মসম্মান খোয়াবেন। বরং স্বামীর সঙ্গে আচরণ করুন। আরও ভালোবাসুন। এতেও না ফিরলে দুজনে মিলে শান্তভাবে সিদ্ধান্ত নিন কী করবেন।

৭. প্রত্যেক স্বামীই তার স্ত্রী সৌন্দর্য নিয়ে গর্ব করে। তাই নিজেকে সবসময় আকর্ষণীয় রাখুন। এজন্য যে পার্লারে যেতে হবে এমন কোনও কথা নেই। বাড়িতেই নিয়মিত টোটকা ব্যবহার করুন। আর সবসময় পরিচ্ছন্ন, প্রিম অ্যান্ড প্রপার থাকুন। স্বামী হুট করে কফি খেতে যাওয়া বা সিনেমা দেখার প্ল্যান করলে যাতে বেরিয়ে পড়তে পারেন।

৮. বিছানায় স্বামীকে যথাসম্ভব খুশি রাখুন। নিজের ইনহিবিশন থেকে বেরিয়ে আসুন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যৌনতার ধরনধারণও পাল্টে গিয়েছে। সেসব বিষয়ে জানুন। বিশেষ করে ওরাল সেক্স, রোল প্লে ইত্যাদি প্রয়োগ করুন। যে স্বামী বিছানায় তৃপ্ত থাকেন তিনি দাম্পত্য অটুট রাখতে চান।

 ৯. দাসীর মনোভাব নিয়ে নয় অন্তর থেকে স্বামীর সেবাযত্ন করুন। কারণ তিনি আপনার ভালোবাসার মানুষ।

১০. দাম্পত্য জীবনে সবচে বড় ভয়ঙ্কর ব্যাপারটি হচ্ছে মিথ্যা কথা। তাই স্বামীকে কখনও মিথ্যা বলবেন না। আর এমন কিছু করবেন না যা স্বামীকে বলতে পারবেন না।

দাম্পত্য জীবন ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা দুটোই ভালভাবে ব্যালেন্স করে চলার জন্য যে আদর্শ ও নৈতিকতার চর্চা থাকা প্রয়োজন, তার অভাবেই মূলত ডিভোর্সের হার বেড়ে চলেছে। 

অনেক দম্পতি রয়েছেন যারা আদর্শ ও নৈতিকতা মেনে জীবন যাপন করছেন কিন্তু দুজনই অর্থনৈতিক কাজে নিয়জিত কিন্তু তাদের মধ্যে রয়েছে পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা মিশ্রিত ভালোবাসা, পরিস্থিতি বুঝে কাজ করার যোগ্যতা ও কখনো কখনো ক্যারিয়ারের চেয়ে পরিবারকে প্রাধান্য দেয়ার বুদ্ধিদীপ্ত মানসিকতা।
 
নিম্নোক্ত ১০টি টিপস মেনে চললে দাম্পত্য সুখ ধরে রাখা ও ডিভোর্সের ঝুঁকি কমানো অনেক সহজ হবে- 

১। পরিস্থিতি বুঝে কথা বলার চেষ্টা করুন, মনে যা আসে তা-ই মুখ ফসকে বলে ফেলবেন না। ফলাফল কী হতে পারে তা বুঝে কথা বলুন।

২। নীরবতা যে একটি ভাষা সেটা জেনে রাখুন। অনেক সময় কথা বলার চেয়ে নীরব থাকায় বেশি প্রভাব তৈরি হয়

৩। পরস্পরের মধ্যে প্রতিযোগীতাপূর্ণ মানসিকতা পরিহার করুন, এটা ক্ষতিকর যা নিজের স্বার্থ ভেবে কাজ করতে প্ররোচিত করে। উদার হতে না পারলে সুখী হওয়া অসম্ভব।

৪। “আমি কী পেলাম বা কী পাচ্ছি তার কাছ থেকে”, এই ভাবনা থেকে বের হয়ে একটু ভাবুন “আমি তাকে কী দিলাম বা দিতে পারছি”। 

৫। কখনো মান-অভিমান বা মনমালিন্য হলে চুপ থাকার চেষ্টা করুন, নিজেদের সুখের সময়ের কথাগুলো ভাবুন, তার অবদানের কথাগুলো স্মরণ করুন। এমন সময় অকৃতজ্ঞের মত বেফাঁস কথা বলে ফেলার সম্ভাবনা বেশি থাকে, তাই খুব কম কথা বলুন বা চুপ থাকুন।

৬। যদি আপনার দ্বারা ভুল হয়ে যায়, ভুল স্বীকার করে নিন, সরি বলুন। ঘাবড়াবেন না, মানুষের ভুল হতেই পারে, মানুষ ফেরেশতা নয়। 

৭। জীবনসাথী যদি ভুল স্বীকার করে আপনার কাছে সরি বলে, তাকে ক্ষমা করে দিন মন থেকে। ভুলেও অপমান করবেন না। তাহলে সে আর কখনো ভুল স্বীকার করবে না। তাকে মুখ ফুটে বলুন “ইটস ওকে”।

৮। পুরনো কোন ভুলের জন্য কখনই স্বামী/ স্ত্রীকে কথা শোনাবেন না, খোঁচা দিবেন না। যেই ভুলের জন্য তাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন, সেই ভুলের কথা বলে তাকে অপমান করাটা খুবই নিচু মনের পরিচয়। 

৯। বেশি বেশি ভালোবাসার কথা বলতে থাকুন। নারীরা সবসময় স্বামীর মুখ থেকে ভালোবাসা মিশ্রিত কথা শুনতে চায়, ভালোবাসা প্রকাশ করার বিষয়; লুকিয়ে রাখার বিষয় নয়। 

১০। সারপ্রাইজ গিফট দেওয়ার অভ্যাস করুন। গিফট ছোট কিছুও হতে পারে, কিন্তু আপনি তার কথা ভেবে খুঁজে খুঁজে তার জন্য গিফট কিনে এনেছেন, এই ভাবনাই তার কাজে অনেক ভাল লাগার বিষয়। 


আমাদের প্যাকেজ এর লিংক:   moonmarriagemedia.com/packages 


সিভি/বায়োডাটা পাঠান এই ই-মেইলে: biodata@moonmarriagemedia.com

পছন্দের জীবনসঙ্গী/ জীবনসঙ্গিনী খুঁজে পেতে বা বিয়ে সংক্রান্ত যে কোনো প্রয়োজনে ফেসবুক পেইজে ইনবক্স করুন অথবা +8801716204097 নম্বরে কল/হোয়াটসঅ্যাপ করুন।

ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: www. moonmarriagemedia.com

We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience. learn more