তুমি স্বার্থপর: স্বামী ও স্ত্রী একে অপরকে কখনই বলবেন না যে তুমি এত স্বার্থপর কেন? স্ত্রী যদি আপনার পছন্দমতো কাজ না করে ও তাকে দোষী মনে হতে পারে। যদি সে সত্যিই স্বার্থপরের মতো আচরণ করে থাকে, তবু তাকে এ কথা বলতে যাবেন না।
তোমাকে বিয়ে করা জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল: স্ত্রী যদি কোনো ভুল করে, তবে কখনই বলবেন না- তোমাকে বিয়ে করা জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল ছিল। ঝগড়ার সময় এ ধরনের কথাগুলোই সম্পর্ক আরও তিক্ত করে তুলতে পারে।
খাওয়া নিয়ে কোনো কথা নয়: না বুঝে বা বুঝেই স্ত্রীর খাবার খাওয়া নিয়ে স্বামী দু-চারটা কথা বলেন অনেক সময়। সাধারণ আদব কেতার মধ্যে এটি পড়ে। কোনো মানুষকে তাঁর খাওয়ার বিষয়ে কিছু বলা উচিত নয়। কেউ বেশি খান, কেউ কম একেক জনের খাদ্যাভ্যাস একেক রকম। সেটা মাথায় রাখতে হবে। স্ত্রীর প্রতি সচেতন থাকলে বুঝিয়ে খুবই বিনয়ের সঙ্গে বলবেন। কোনোভাবেই যেন ব্যঙ্গ না হয়।
সুন্দর করে সাজতে পারো না: এ ধরনের কথা স্ত্রীকে কখনোই বলবেন না। কারণ এতে করে সে মনে কষ্ট পায়। তাকে সম্মান দিয়ে কথা বলুন।
আমার মায়ের মতো করো: ধরেন, একদিন শখ করে স্ত্রী ইলিশ মাছ রান্না করলেন। খেতে খেতে আপনি বললেন, আমার মায়ের মতো হয়নি। মায়ের কাছ থেকে শিখে নিয়ো। সাধারণত স্ত্রীরা এ ধরনের কথা মেনে নিতে পারেন না। শাশুড়ির সঙ্গে নিজের তুলনা করলে গুরুত্ব কমে যাচ্ছে কি না, এ ধরনের একটা জটিলতা তৈরি হয় তাঁর মধ্যে। তাই স্বামীকে মনে রাখতে হবে, যাঁর প্রশংসা তাঁর সামনে তাঁকে করুন। কাউকে ছোট করে নয়।
সারা দিন কী করছো, কিছু তো করতে পারো না: অনেক স্বামীর মুখে এ ধরনের কথা শোনা যায়। গৃহিণী তো বটেই, নিস্তার মেলে না কর্মজীবী নারীরও। সহযোগিতা না করে ঘরে ফিরে কোনো কোনো স্বামী বলেন, অন্যের বউ সবই সামলায়। তোমাকে দিয়ে কিছু হবে না। তোমার মায়ের মতো হয়েছ।
এগুলো বলা মানে হলো, আপনার মনমানসিকতা কতটা নিচু, তার প্রকাশ করে।
সংসার হচ্ছে দুজন দুজনকে বোঝা। টাকা-পয়সা, সৌন্দর্য বিবাহিত জীবনকে সুখী করতে পারে না। দাম্পত্য সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন আন্তরিকতা। বিনীত, নমনীয়, বিশ্বাসযোগ্য, ভালো স্বভাব, সহযোগী মনোভাবাপন্ন, ক্ষমাশীল, উদার ও ধৈর্যশীল গুণগুলো সংসার টিকিয়ে রাখতে সাহয্যে করে।
ভালোবাসা ছাড়া কোনো সাংসারিক দাম্পত্য জীবন সুখী হতে পারে না। তাই দুজন দুজনের প্রতি মায়া-মমতা ও ভালোবাসা থাকতে হবে। আর সংসার যে সবসময় সুখের হয় এমন নয়। সংসারে কখনও কখনও নেমে আসতে পারে দুঃখের কালো ছায়া।
প্রেম, বিশ্বাস, শ্রদ্ধা ও নির্ভরযোগ্যতা বিয়ের চারটি স্তম্ভ। যখন একটি স্তম্ভ দুর্বল হয়ে যায়, সম্পর্ক নড়বড়ে হয়ে পড়ে। তাই সংসার জীবনে অনেক কিছুই মেনে চলতে হবে। স্ত্রীকে মুখ ফসকে সব কথা বলা যাবে না। কিছু কথা রয়েছে যা দাম্পত্য জীবনের সুখ কেড়ে নিতে পারে।
আসুন জেনে নিই যে ৪ কথা স্ত্রীকে ভুলেও বলবেন না-
তুমি স্বার্থপর
স্বামী ও স্ত্রী একে অপরকে কখনই বলবেন না যে তুমি এত স্বার্থপর কেন? স্ত্রী যদি আপনার পছন্দমতো কাজ না করে ও তাকে দোষী মনে হতে পারে। যদি সে সত্যিই স্বার্থপরের মতো আচরণ করে থাকে, তবু তাকে এ কথা বলতে যাবেন না।
তোমাকে বিয়ে করা জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল!
স্ত্রী যদি কোনো ভুল করে, তবে কখনই বলবেন না– তোমাকে বিয়ে করা জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল ছিল। ঝগড়ার সময় এ ধরনের কথাগুলোই সম্পর্ক আরও তিক্ত করে তুলতে পারে।
তোমার চেয়ে আমার চাকরি গুরুত্বপূর্ণ
প্রতিটি কাজে একে অপরকে সম্মান করুন। স্বামীর চেয়ে আপনার আয় বেশি হলেও স্বামীকে কখনই বলা যাবে না যে– তোমার চেয়ে আমার চাকরি গুরুত্বপূর্ণ। তা হলে তিনি কষ্ট পাবেন।
তোমার মাকে পছন্দ করি না
শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখুন। অনেককে আপনি অপছন্দ করতেই পারেন। তাই বলে রাগের মাথায় ‘আমি তোমার মাকে ঘৃণা করি’ বা ‘আমি তোমার বাবাকে ঘৃণা করি’- এ ধরনের কথা বলবেন না।
পারস্পারিক সম্মান না থাকলে দাম্পত্য জীবনে সুখী হওয়া অসম্ভব। সম্মান থাকলে তার হাত ধরে আসবে ভালোবাসাও। কেউ যদি তার স্ত্রীকে অসম্মান করে, অপমান করে কথা বলে, কষ্ট দেয় তবে সেই সম্পর্ক রং হারাতে বাধ্য। কারণ মানুষ অসম্মান মেনে নিয়ে একসঙ্গে পথ চলতে পারে না। স্বামীর বলা একেকটি কথা স্ত্রীর বুকে তীর হয়ে বিঁধতে পারে। তাই রাগের বশে হোক বা অন্য যেকোনো সময় কথা বলার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকুন। কখনোই এই ৪ কথা আপনার স্ত্রীকে বলবেন না, কারণ এই কথাগুলো তাকে সবচেয়ে বেশি কষ্ট দেয়-বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাও
অনেকেই রাগের মাথায় স্ত্রীকে বাড়ি থেকে বের হয়ে যেতে বলেন। এমনটা কখনোই বলবেন না। কারণ একজন নারী একসঙ্গে সংসার করার জন্যই নিজের পরিবারকে ছেড়ে আসে। নতুন একটি জীবনের স্বপ্ন দেখে। নিজের মধ্যে অনেক পরিবর্তন নিয়ে আসে। তাই তার ওপর রাগ করে বাড়ি ছাড়তে বলবেন না। কারণ বাড়ি ও সংসার আপনাদের দুজনেরই।
আমাদের প্যাকেজ এর লিংক: moonmarriagemedia.com/packages
ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: www. moonmarriagemedia.com